বাণিজ্যিক কারণে বিশ্বকাপে দল কমানোর পক্ষে আইসিসি

Date | 2015-03-27 | 12:56:16
ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ১০টি দলই রাখার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

এ কারণে বাংলাদেশকে কোয়ালিফাইং রাউন্ড জিতেই বিশ্বকাপ ২০১৯-এর মূলপর্বে খেলতে হতে পারে। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে। টেস্ট খেলুড়ে দুই দল সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাছাই পর্ব খেলে মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে, যেমনটা ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপে করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন জানিয়েছেন যে, চলতি বিশ্বকাপে সহযোগী সদস্য দেশগুলোর নজরকাড়া নৈপুণ্যের পরও আগামী আসরে দল কমানোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা নেই। এবার ১৪টি দল নিয়ে খেলা হলেও আগামীবার খেলবে মাত্র ১০ দল। রিচার্ডসন অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা নিয়ে বলেন, বছরের শেষ দিকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে কিন্তু আমার মনে হয় না এর কোন পরিবর্তন হবে। কারণ, সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। তিনি বলেন, অন্যদের জন্য বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলার সুযোগ থাকছে। দল বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে বাছাইপর্বে দলগুলোর মান দেখে।’ রিচার্ডসন রাখঢাক না করেই বলেন, আমাদের অনেক বাণিজ্যিক বিষয় ভাবতে হয়। সহযোগী দেশগুলোর খেলায় দর্শক উপস্থিতির কথাও চিন্তা করতে হয়।’ বিশ্বকাপে সহযোগী দেশগুলোর সমর্থকরা মনে করে তাদের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ না থাকলে ক্রিকেট বিশ্বায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু নির্বিকার রিচার্ডসন বলেন, আমার কাছে মনে হয় বিতর্কটা হওয়া উচিত আমরা সহযোগী দেশগুলোকে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্য করে তুলতে কি ভূমিকা রাখছি তা নিয়ে। সেটা ৮, ১০, ১২ বা ১৪ দল যা-ই হোক না কেন। আমরা মনে করি বিশ্বকাপই শুধু খেলা দেখানোর জায়গা নয়, শীর্ষ পর্যায়ে খেলার একটা মাধ্যম মাত্র।’ তিনি জানান, আইসিসি এখনও ক্রিকেটকে নতুন নতুন দেশে ছড়িয়ে দিতে চায়, যেমন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু অগ্রাধিকার অবশ্যই যারা আছে তাদের সুরক্ষা। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার বলেন, আমরা এখন উপলব্ধি করছি যে, কেবল যেনতেনভাবে ছড়িয়ে দেয়া নয়। আমাদের কিছু পূর্ণ সদস্য আছে যেমন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে তারা যেন হারিয়ে না যায়- এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র এমন এক দেশ, যেখানে অনেক প্রচ্ছন্ন শক্তি রয়েছে। জিম্বাবুয়েতে যত ক্রিকেটার আছে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্রিকেটার আছে যুক্তরাষ্ট্রে এবং সম্ভবত নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড় সংখ্যার কাছাকাছি হবে। যদি সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে তবে কেন যুক্তরাষ্ট্র নয়। আগামী কয়েক বছর এটিই হবে আমাদের দৃষ্টি দেয়ার জায়গা।